জাতীয়

গাজীপুরে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে মেয়র প্রার্থীরা নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন

বার্তাবাহক ডেস্ক : গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার। প্রার্থীরাসহ কর্মী-সমর্থক, ভোটারা এখন অপেক্ষা করছেন ভোট দেওয়ার।

এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে এ সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী হলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম এবং বিএনপির প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকারের মধ্যে- এমনটাই নগরবাসীর ধারণা।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৪২৫টি কেন্দ্রের ২ হাজার ৭৬১টি কক্ষে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।এছাড়া একটি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র থাকবে।

মেয়র প্রার্থীরা সবাই ভোটের দিন সকালেই নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা) সকাল ৮টার পরপরই মহানগীরর ৩০নং ওয়ার্ডের কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. হাসান উদ্দিন সরকারও (ধানের শীষ) সকাল ৮টার পরপরই ভোট দেবেন টঙ্গীর ৫৪নং ওয়ার্ডেও বশিরউদ্দিন উদায়ন একাডেমি কেন্দ্রে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. নাসিরউদ্দিন (হাতপাখা) সকাল ৯টায় ভোট দেবেন ৪৮নং ওয়ার্ডের ধূমকেতু প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড হাইস্কুল কেন্দ্রে।

ইসলামী ঐক্যজোটের মেয়র প্রার্থী ফজলুর রহমান (মিনার) সকালে ভোট দেবেন ১৫নং ওয়ার্ডের ভোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদ (টেবিল ঘড়ি) ভোট দেবেন সকাল ৯টায় ৩৭নং ওয়ার্ডের হাজী আবদুল লতিফ রেজিস্ট্রি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মেয়র প্রার্থী মো. জালাল উদ্দিন (মোমবাতি) ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী কাজী মো. রুহুল আমিন (কাস্তে) তাদের নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

এ ছাড়া বর্তমান মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান সকাল ১০টায় ১৯নং ওয়ার্ডের সালনা ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দেবেন। আর গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল সকালে ভোট দেবেন ৪৬নং ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

৩২৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৩ সালের ৬ জুলাই। এবার দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২৪এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়। গত ১৫ মে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই নির্বাচন নিয়ে উচ্চ আদালতে (হাইকোর্টে) স্থগিতাদেশ এবং পরে আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৮ জুন থেকে আবার দ্বিতীয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়।

৫৭টি সাধারণ এবং ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সিটি কররেশনের মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৯৩৫ জন এবং নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন।

এ নির্বাচনে ১৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৮৪ জন এবং ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে ২৫৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close