সারাদেশ

দুই জেলায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত তিন

বার্তাবাহক ডেস্ক : ঝিনাইদহের পৌর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে র‌্যাবের ‌‌‌কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে র‌্যাব । ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি, ফেনসিডিল ও ইয়াবা উদ্ধারের কথাও র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

অপর দিকে গাইবান্ধায় গ্রেফতারের একদিন পর পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছামছুল হক (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

রোববার ভোররাত ৩টার দিকে ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের পাশে পবহাটি জামতলা মোড় নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক কারবারীরা হলেন জেলা শহরের বাঘা যতিন সড়কের রহিম বক্সের ছেলে সাজ্জাতুল ইসলাম ডিএম (৩৫) ও একই উপজেলার উদয়পুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৩৪)।

ঝিনাইদহ র‌্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম মোর্শেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩ টার দিকে র‌্যাব ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি এলাকায় চেকপোস্ট বসায়। এ সময় একটি মোটরসাইকেলের আরোহীরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে দু-পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী দুজনকে গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কিছুক্ষণ পর চিকিৎসাধীন অবস্তায় তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় র‌্যাবের এএসআই তরিকুল ইসলাম ও ল্যান্স নায়েক আবু সাইদ আহত হয়েছেন।

‌’র‌্যাব পরে জানতে পারে তারা জেলার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মৃতদেহ দুটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে’,- বলছিলেন গোলাম মোর্শেদ।

র‌্যাব বলছে, নিহত মাদককারবারী সাজ্জাতুল ইসলাম ডিএম ও আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলো। তারা তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী ছিলেন।

অপর দিকে গাইবান্ধায় গ্রেফতারের একদিন পর পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছামছুল হক (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত শামসুল ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। তিনি একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি ছিলেন। শামসুলের বাড়ি পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের সাকোয়া গ্রামে।

রোববার ভোরে পলাশবাড়ী উপজেলার সাকোয়া ব্রিজ এলাকায় গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহারিয়ার জানান, শনিবার দুপুরে যৌথ অভিযান চালিয়ে শামসুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধার ও অন্য সঙ্গীদের গ্রেফতারে আজ ভোরে সাকোয়া ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় শামসুলকে ছিনিয়ে নিতে তার সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শামসুল গুলিবিদ্ধ হন। পরে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিহত শামসুল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা ও ডাকাতির ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এটাও পড়ুন

Close
Close