সারাদেশ

পর্যবেক্ষনের জন্য কাপাসিয়ার ‘পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রে’ ৭ জন

বার্তাবাহক ডেস্ক : করোনা ভাইরাস নেগেটিভ হওয়ার পর উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারী হাসপাতালে থেকে ইতালি ফেরত সাতজনকে পর্যবেক্ষনের জন্য কাপাসিয়ার ‘পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রে’ স্থানান্তর করা হয়েছে।

বুধবার মধ্যরাতে তাদের কাপাসিয়ায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

এর আগে ওই সাতজনসহ আটজনকে পূবাইলের ‘মেঘডুবি ২০শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে’ স্থাপিত অস্থায়ী কোয়ারেন্টিন ক্যাম্প থেকে উত্তরা কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারী হাসপাতালে আইসোলেশনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম সরকার জানান, ১৪ মার্চ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ইতালি ফেরত ৪৪ জনকে ‘মেঘডুবি ২০শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে’ স্থাপিত অস্থায়ী কোয়ারেন্টিন ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়েছিল। পরে আটজনের শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে জ্বর অনুভূত হওয়ায় তাদের অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজনের দেহে করোনার ভাইরাস পজিটিভ হয়। অন্য সাতজনের দেহে ওই জীবানুর উপস্থিতি নেগেটিভ হয়। পরে কোয়ারেন্টিনের নিয়মানুয়াযী (ন্যূনতম ১৪দিন) এ সাতজনকে অধিকতর পর্যবেক্ষনের জন্য বুধবার মধ্যরাতে কাপাসিয়ার ‘পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রে’ স্থানান্তর করা হয়েছে।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. ইসমত আরা জানান, কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল থেকে সাতজনকে বুধবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার ‘পাবুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রে’ আনা হয়েছে। এছাড়াও কাপাসিয়ায় বুধবার পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ছয়জনকে হোম কোয়রেন্টিনে রাখা হয়েছে।

গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান জানান, গাজীপুরে মেঘডুবী মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ৩৬জন এবং গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলায় আরো ২০জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

 

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close