আলোচিতসারাদেশ

কাশিমপুর কারাগার থেকে আরো ২০ বন্দির মুক্তি

বার্তাবাহক ডেস্ক : করোনাভাইরাস সঙ্কটে কারাগারগুলোতে ভিড় কমাতে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কারাগারগুলোতে পৌঁছানোর পর তা কার্যকর শুরু হয়েছে।

রোববার (১০ মে) কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে আরো ২০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ।

এ পর্যন্ত সরকারের বিশেষ বিবেচনায় কাশিমপুরের চারটি ও গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত চার নারীসহ ৪৫ বন্দিকে বিভিন্ন সময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার বাহারুল আলম বলেন, রোববার বিকেলে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত ২০ কারাবন্দি মুক্তি পেয়েছে। এর আগে দুই ধাপে এ কারাগার থেকে ১৬ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোভিড-১৯ অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে বলে কারাগারগুলোতে ঝুঁকির মাত্রা থাকে অত্যন্ত বেশি। তাই বন্দিদের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেয় সরকার।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২ হাজার ৮৮৪ জন বন্দির অবশিষ্ট কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ছয় মাস থেকে এক বছর সাজা ভোগকারী, তিন মাস থেকে ছয় মাস সাজা ভোগকারী এবং তিন মাস পর্যন্ত সাজা ভোগকারী বন্দিরা মহামারীর কারণে এই মুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের অধিকাংশই ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত বলে জানান কারা কর্মকর্তারা।

‘লঘুদণ্ড’র ব্যাখ্যায় কারা কর্মকর্তারা বলেন, “বিভিন্ন অপরাধে যাদের সাজা এক বছর এবং তার থেকে কম হয়েছে, তাদের বেলায় এই আদেশ কার্যকর করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য : ৯ মে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে ১৩ বন্দি এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের ২ নারীসহ মোট ১৫ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়াও প্রথম ধাপে গত ৩ ও ৪ মে বিভিন্ন সময়ে কাশিমপুর হাইসিউিরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর ১ জন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ৩ জন, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে দুই নারী এবং গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে ৩ জনসহ লঘুদণ্ডে দণ্ডিত মোট ১০ কারাবন্দি মুক্তি পেয়েছে।

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close