আলোচিত

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের লঙ্ঘন সর্বত্রই

বার্তাবাহক ডেস্ক : এক মাস বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি চালু হয়েছে নিট এশিয়া লিমিটেড। গাজীপুর কালিয়াকৈরের সফিপুরে অবস্থিত এই তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করেন ৫ হাজার ৩০০ শ্রমিক। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার শর্তে কারখানাটি চালু করা হলেও বাস্তবে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না বলেও উঠে এসেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে। শুধু তৈরি পোশাক খাত নয়, সব ধরনের কারখানা, গণপরিবহন, ট্রেন, লঞ্চ, বাজারসহ কোথাও সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। প্রতিনিয়ত লঙ্ঘন করা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। এতে কেবল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে তা নয়, খুব দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯-এর সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করার জন্য কমিউনিটি মবিলিটি রিপোর্টের মাধ্যমে সারা বিশ্বের মানুষের অবস্থানগত তথ্য উন্মুক্ত করেছে গুগল। এতে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগে ও পরে ট্রানজিট স্টেশন, রিটেইল শপ, বিনোদনকেন্দ্র, কর্মক্ষেত্র, মুদি দোকান, ফার্মেসি, পার্ক ও বাসাবাড়িতে মানুষের অবস্থানের তুলনামূলক তথ্য প্রকাশ করা হয়। গুগলের কমিউনিটি মবিলিটি রিপোর্টেও দেখা গেছে, বাংলাদেশে ঘরের বাইরে অবাধে চলাফেরা করছে মানুষ। ভিড় বেড়েছে সর্বত্রই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে ঝুঁকি বেড়ে যাবে। সেই সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়ে যাবে। এখন আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ রয়েছে, কিন্তু সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আগামী সপ্তাহেই দেখা যাবে এই সংখ্যা দেড় লাখের ঘরে পৌঁছে গেছে। এরই মধ্যে আমাদের হাসপাতালগুলোয় জায়গা নেই। এরপর আরো বেশি আক্রান্ত হলে তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। শিল্প মালিকদের খেয়াল রাখতে হবে, তারা যদি শ্রমিকদের সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত না করে, সেক্ষেত্রে আমাদের সবার জন্যই তা হবে ক্ষতিকর।

দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের শর্তে গত ১ জুন থেকে চলতে শুরু করেছে গণপরিবহন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে প্রত্যেক বাস ও মিনিবাসে দূরত্ব বজায় রেখে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও দেশের বেশির ভাগ জায়গায় তা মানা হচ্ছে না। আবার প্রতি ট্রিপ শেষে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পুরো বাস জীবাণুমুক্তও করা হচ্ছে না।

গণপরিবহন চালুর প্রথম দিনেই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ জানাতে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেছিলেন ৩৫৪ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশই বাসের অপরিচ্ছন্ন সিটে যাত্রীদের বসতে বাধ্য করা ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগও এসেছে জরুরি সেবায় আসা ফোন কলগুলোয়।

রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী অধিকাংশ পরিবহনেই সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। দুই সিটে একজন করে যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও নেয়া হচ্ছে বেশি। এমনকি অনেক রুটে বাসে দাঁড়িয়েও যাত্রী পরিবহনের দৃশ্য চোখে পড়ে। যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া প্রদানের পরও বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া একজন যাত্রী নেমে যাওয়ার পর তার আসনটি জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে না। অনেক সময় বাসের সিটে যাত্রীদের ফেলে যাওয়া মাস্ক ও গ্লাভস পড়ে থাকে বলেও অভিযোগ করেন যাত্রীরা।

বাসের মতো ট্রেনেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। ট্রেনের প্রতি দুই সিটে একজন করে বসার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। দেশে করোনা সংক্রমণের প্রায় সাড়ে তিন মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি রেলকর্মীদের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়া ও আক্রান্ত হওয়ার পর ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণে কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত ১৮ জুন রেলপথ মন্ত্রণালয়, রেলওয়ের দুটি অঞ্চলে সর্বমোট তিনটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়। যদিও এরই মধ্যে রেলওয়ে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের অনেক কর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে কভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্তদের শতভাগ তথ্যও নেই রেলওয়ের কাছে। রেলের নির্দিষ্ট হাসপাতাল থাকলেও যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে বিক্ষুব্ধ রেলকর্মীরা। চট্টগ্রামে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিশেষায়িত হাসপাতালকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও রেলকর্মীদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এতে রেলকর্মীদের স্বাভাবিক চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটবে বলেও মনে করছেন রেলওয়ে কর্মীরা।

বাস ও ট্রেনের মতোই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না লঞ্চেও। সরকারের পক্ষ থেকে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ পরিচালনার নির্দেশনা থাকলেও তা পুরোপুরি পালন করতে দেখা যায়নি লঞ্চ মালিক ও যাত্রীদের। মাস্কের সঠিক ব্যবহার করতে দেখা যায়নি অর্ধেকের বেশি যাত্রীকে। লঞ্চের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রীরা শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেও ব্যতিক্রম দেখা গেছে ডেকের তৃতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের। তারা শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই যাতায়াত করছে।

সরেজমিনে সদরঘাট ঘুরে দেখা যায়, নৌযান টার্মিনালের প্রবেশমুখেই বসানো হয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। অধিকাংশ যাত্রীই ওই টানেল পাশ কাটিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করছে। যাত্রীদের অধিকাংশেরই মাস্ক থাকলেও সেটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চে যাত্রী চলাচলে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মানতে যাত্রী, লঞ্চ মালিক ও শ্রমিকদের সচেতনতা বাড়াতে কাজ করছে তারা। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ কার্যক্রমে অবহেলা করায় বিআইডব্লিউটিএর চাঁদপুর বন্দর কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করাসহ অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অপরাধে একটি লঞ্চকে জরিমানাও করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি ও ডক্টরস প্লাটফর্ম ফর পিপলস হেলথের আহ্বায়ক ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে। সংক্রমণ বাড়লে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার সক্ষমতা যেহেতু আমাদের নেই, সুতরাং মৃত্যুও বাড়বে। তাই সরকারকে যেমন যথাযথ উপায়ে লকডাউন কার্যকর করতে হবে, ঠিক তেমনই জনগণকেও সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে কারখানাগুলো কার্যক্রম শুরুর পর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের চারটি উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয় থেকে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। গত ৪ জুন অধিদপ্তরের দেয়া প্রতিবেদনে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের মোট ৩৭টি কারখানা পরিদর্শনের তথ্য দেয়া হয়। এর মধ্যে ২০টি কারখানায়ই যথাযথ সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার প্রমাণ পেয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের উল্লেখ রয়েছে, গাজীপুর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ৪ জুন নিট এশিয়া লিমিটেডের সফিপুর কারখানা পরিদর্শনে যাওয়া হয়। সে সময় কারখানাটিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় না থাকার বিষয়টি লক্ষ করা যায়। একই দিনে টঙ্গীর পাগাড়ে অবস্থিত গ্লোবাল পার্ক লিমিটেডের কারখানায়ও সামাজিক দূরত্ব যথাযথভাবে মেনে না চলার বিষয়টি লক্ষ করা যায়।

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি নিহাদ কবির বণিক বার্তাকে বলেন, রিসার্জেন্ট বাংলাদেশ প্লাটফর্ম থেকে আমরা বলে আসছিলাম যে সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে সত্যিকার অর্থে একটা কঠোর লকডাউন দেয়া একান্ত জরুরি ছিল। ঈদের ঠিক পরই যদি তা দেয়া হতো তাহলে খুব কার্যকর হতো। কারণ ঈদের পর ১০-১২ দিন শিল্পের এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম এমনিই কম থাকে। আবার সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধির নামে যে বিধিবিধানগুলো দেয়া হয়েছে এগুলো মানা যে খুব একটা সম্ভব হবে না, সেটাও কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই বলছি। আমরা এখনো একটা সত্যিকার অর্থে সমন্বিত পরিকল্পনা কোথাও থেকে পাইনি যে কীভাবে এ পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করা যাবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি রোজই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। অনেকে অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে কম বা বেশি বলতে চাইছে। কিন্তু তুলনা করে কোনো লাভ নেই। কারণ আমার দেশের একজন মারা গেলে সেটা আমার দেশেরই ক্ষতি, আমারই ক্ষতি। আমরা আমাদের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা জানি, কিন্তু তার মধ্যেও একটা সমন্বিত পরিকল্পনা করে, ভালো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কিছুটা হলেও ভালো অবস্থানে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এখনো সময় কম হলেও সুযোগ আছে। এ বিষয়ে সরকারকে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে হবে।

ঢাকা ও গাজীপুরের তুলনায় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে চট্টগ্রামের কারখানাগুলোর চিত্র আরো ভয়াবহ। ৪ জুন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে চট্টগ্রামের ১১টি কারখানা পরিদর্শন করা হয়। সেখানে পাঁচটি কারখানায় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের ঘাটতি পেয়েছে অধিদপ্তর। চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী রোডের জাফস পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শন করে সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের হ্যান্ড গ্লাভস প্রদান না করার তথ্য পেয়েছে অধিদপ্তর। পাশাপাশি লালবাগে এসএম করপোরেশন, শিপ ব্রেকার্স লিমিটেড, চৌধুরী ফ্যাশন ওয়্যারস লিমিটেড এবং ন্যাশনাল টেক্স লিমিটেডে কর্মরত শ্রমিকদের হ্যান্ড গ্লাভস প্রদান না করার তথ্য উঠে এসেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শন প্রতিবেদনে।

সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর গত ২৬ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে সচল হয় দেশের ছয় শিল্প এলাকার কারখানাগুলো। এরপর আবার ঈদের ছুটি এবং ছুটি শেষে শ্রমিকদের কাজে যোগদান। কারখানা ‘বন্ধ-খোলা-বন্ধ’ চক্রে পড়ে অনেক শ্রমিকই কর্মস্থল থেকে গ্রামের বাড়িতে আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন। সেই সঙ্গে ঝুঁকি বাড়িয়েছিল কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার। এরই মধ্যে শ্রমঘন ছয় এলাকার শিল্প-কারখানাগুলোয় ৪১৭ শ্রমিক কভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। সুস্থ হয়েছেন ২২১ জন কভিড- ১৯ আক্রান্ত শ্রমিক।

এর আগে গত ২৩ মে পর্যন্ত কভিড-১৯ শনাক্ত হওয়া শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১৭০। এরপর ১ জুন এ সংখ্যা বেড়ে হয় ২৫১। সর্বশেষ গতকাল ২১ জুন পর্যন্ত আক্রান্ত শ্রমিকের সংখ্যা ৪১৭। আক্রান্ত শ্রমিক বিভিন্ন খাতের মোট ১৭৪টি কারখানার সঙ্গে যুক্ত, যার ৯৬টিই পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্য কারখানা।

এদিকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ভূমিকা রাখছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীসহ সারা দেশের পুলিশের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা জানান, কভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য জনগণকে সচেতন করতে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছে পুলিশ। বাজারগুলোতে একমুখী চলাচলের পথ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব মেনে কেনাকাটা করার জন্য অবস্থান চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে।

 

সূত্র: বণিক বার্তা

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close