আন্তর্জাতিকআলোচিত

দেড় মাসে আমিরাত থেকে শতাধিক লাশ ও ৫ হাজার শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে

বার্তাবাহক ডেস্ক : গত দেড় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে শতাধিক বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেইসাথে একই সময়ের মধ্যে ভাড়া করা এবং বিশেষ ফ্লাইটে করে ৫ হাজার শ্রমিককে দেশে পাঠানো হয়েছে।

আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে এক সংবাদে এমন তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজের অনলাইন ভার্সন।

তাদের সংবাদে বলা হয়েছে, যে শতাধিক বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত পাঠানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছাড়া অন্য কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

দূতাবাসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে সংবাদে আরো বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেসব বাংলাদেশির স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তাদের মরদেহের জন্য আত্মীয়-স্বজনেরা বাংলাদেশে অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল বন্ধ থাকার এসব মরদেহ পাঠানো সম্ভব হচ্ছিলো না। গত মার্চ মাস থেকে দেশটির মর্গে তাদের মরদেহ সংরক্ষিত ছিলো।

এসব মরদেহ বাংলাদেশ দূতাবাস ধীরে ধীরে দেশে ফেরত পাঠাতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার ভিত্তিতে কার্গো বিমানে করে এসব মৃতদেহ দেশে ফেরত আনা শুরু করেছে দূতাবাস। এ সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সেখান থেকে ৫ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে কমপক্ষে ২০টি বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়েছে।’

এছাড়া দূতাবাস আটটি ভাড়া করা ফ্লাইটে হতাশাগ্রস্ত অথবা যারা কাজ হারিয়েছেন তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দূতাবাসের এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘এখনো ২০টি মৃতদেহ ফেরত পাঠানোর অপেক্ষায় আছে। এর মধ্যে ১০টি মৃতদেহ রয়েছে আবুধাবিতে। ১০টি দুবাইয়ে।’

যেসব শ্রমিক কাজ হারানোর পর দেশে ফেরার খরচ বহনে অক্ষম তাদেরকে সহায়তা দূতাবাস করেছে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান জানান, এক্ষেত্রে তাদেরকে নিয়োগকারী কোম্পানিগুলোও আর্থিক সহায়তা করেছে।

এ সময় তিনি দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়কে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়ে সহায়তার জন্য দূতাবাস মিশনে যাওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘এটা হলো সবার জন্য এক পরীক্ষার সময়- বাংলাদেশি বা সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয় দেশের জন্যই।’

কিন্তু তাদের মিশন লোকজনকে দেশে ফেরার ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এটাও পড়ুন

Close
Close