আলোচিতবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

তরঙ্গ নিলামে ব্যর্থতার সুযোগ নিয়েছে অপারেটররা

বার্তাবাহক ডেস্ক : বরাদ্দ নেয়া তরঙ্গ ব্যবহার করে গ্রাহকের কাছে ভয়েস ও ডাটাভিত্তিক সেবা পৌঁছে দেয় সেলফোন অপারেটররা। কম তরঙ্গে মানসম্মত সেবা দেয়া যায় না, এটি অজানা নয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার। তার পরও অধিক আয়ের আশায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের উচ্চ ভিত্তিমূল্য ধরে নিলাম আয়োজন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে প্রত্যাশিত আয় তো হয়ইনি, উল্টো কম তরঙ্গ কিনেছে অপারেটরগুলো। একদিকে তরঙ্গ নিলাম থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সর্বোচ্চ আয়ের প্রত্যাশা, অন্যদিকে অপারেটরদের স্বল্প বিনিয়োগে উচ্চ মুনাফার চেষ্টা—এ দুইয়ের প্রভাব পড়ছে গ্রাহকসেবার মানে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালে ফোরজি সেবা চালুর আগে তরঙ্গ বরাদ্দে নিলামের আয়োজন করে বিটিআরসি। ওই নিলাম থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা আয়ের প্রত্যাশা করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদিও আয় হয় সব মিলিয়ে ৫ হাজার কোটি টাকার মতো। মূলত নিলামে তরঙ্গের যৌক্তিক ভিত্তিমূল্য নির্ধারণে বিটিআরসির ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে কম তরঙ্গ কিনে সেবা দিচ্ছে অপারেটররা।

গ্রাহকপ্রতি তরঙ্গের বিবেচনায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অপারেটরদের বরাদ্দ নেয়া তরঙ্গ তুলনামূলক কম। জার্মানি বা মালয়েশিয়ার মতো দেশে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গে এক লাখের কিছু বেশি গ্রাহককে সেবা দেয় অপারেটররা। অথচ বাংলাদেশে গ্রামীণফোন প্রতি মেগাহার্টজে প্রায় ২১ লাখ, বাংলালিংক ১১ লাখ ও রবি প্রায় ১৪ লাখ গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। আর টেলিটক প্রতি মেগাহার্টজে সেবা দিচ্ছে প্রায় ২ লাখ গ্রাহককে। তরঙ্গের স্বল্পতায় গ্রাহকসেবার মানে প্রভাব পড়ছে অপারেটরদের।

করোনা সংক্রমণের শুরুতে দেশে সেলফোন ও ইন্টারনেটনির্ভর সেবার চাহিদা বেড়ে যায়। বাড়তি এ চাপের কারণে অপ্রস্তুত অপারেটরদের সেবার মানের ওপর প্রভাব পড়ে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান ওপেন সিগন্যালের এক প্রতিবেদনেও এ তথ্য উঠে আসে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হলেও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সেবাটির মান অনেক পিছিয়ে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বোচ্চ আয়ের লক্ষ্য নিয়ে তরঙ্গ নিলামের আয়োজন করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদিও থ্রিজি বা ফোরজির তরঙ্গ নিলাম থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারেনি সংস্থাটি। অন্যদিকে অপারেটররা তুলনামূলক স্বল্প বিনিয়োগে মুনাফা বৃদ্ধির বিষয়টিতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে গ্রাহকসেবার মানের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘সেবার মান নিয়ে কখনই গুরুত্ব দেয়নি অপারেটররা। ন্যূনতম প্রস্তুতিও ছিল না তাদের। এর প্রভাব পড়ছে গ্রাহকসেবার মানে। প্রয়োজনীয় তরঙ্গ কেনার বিষয়ে অপারেটরদের অনেক আগে থেকেই বলে আসছি।’

১৮০০ ও ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের অব্যবহূত তরঙ্গ বিক্রিতে ২০১৫ সালে নিলাম আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। তবে সেলফোন অপারেটররা নিলামে অংশ নেয়ার বিষয়ে আগ্রহ না দেখানোয় তা স্থগিত করা হয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নিলামে নীতিমালা অনুযায়ী ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় মেগাহার্টজপ্রতি ৩ কোটি ডলার (২৩২ কোটি টাকা)। আর ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ২ কোটি ২০ লাখ ডলার (১৭০ কোটি টাকা) নির্ধারণ করে বিটিআরসি। পরবর্তী সময়ে নীতিমালাটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। সংশোধিত নীতিমালায় দুই ব্যান্ডেরই তরঙ্গের নিলামের ক্ষেত্রে ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

ফোরজি তরঙ্গ নিলামে অংশ নিতে চার অপারেটর আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত নিলামে অংশ নেয় গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক। এর মধ্যে গ্রামীণফোন শুধু ১৮০০ মেগাহার্টজ এবং বাংলালিংক ২১০০ মেগাহার্টজ ও ১৮০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয়। বাংলালিংক ১ হাজার ১১৯ কোটি টাকায় ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্টজ ও ১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকায় ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৫ দশমিক ৬ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কেনে। আর গ্রামীণফোন কেনে ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ। এতে সরকারের আয় হয় ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা। এর বাইরে তরঙ্গের প্রযুক্তি নিরপেক্ষতায় ৮৫০ কোটি ৪০ লাখ ও মূল্য সংযোজন কর ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকাসহ মোট আয় হয়েছে ৪ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা।

এদিকে নিলামের আগেই সেলফোন অপারেটরদের বিদ্যমান টুজি তরঙ্গের প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা দেয়ার সুযোগ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ফলে আসন্ন তরঙ্গ নিলাম কার্যত প্রতিযোগিতাহীন হয়ে পড়ে। নিলামে মাত্র দুই অপারেটর অংশ নেয়ায় অব্যবহূত তরঙ্গের বড় একটি অংশই অবিক্রীত থেকে যায়। সব মিলিয়ে ৯২ দশমিক ৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে তোলা হলেও বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩১ দশমিক ২ মেগাহার্টজ তরঙ্গ।

এর আগে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত থ্রিজির তরঙ্গ বরাদ্দের নিলাম থেকেও সর্বোচ্চ আয় নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় বিটিআরসি। তরঙ্গ বরাদ্দের জন্য আয়োজিত নিলাম শেষ হয় কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়াই। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে থ্রিজি থেকে যে আয় হয়েছে তার ধারেকাছেও পৌঁছেনি বাংলাদেশের থ্রিজি তরঙ্গ বিক্রির আয়। অথচ কাঙ্ক্ষিত মানের সেবাও পাননি গ্রাহক। যদিও অপারেটরদের দাবি, থ্রিজিতে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করে তাদের আয় হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার মতো।

নিলামের মাধ্যমে সম্পদের সঠিক দাম নির্ধারণ ও দক্ষ বণ্টন তত্ত্বের কারণে চলতি বছর বব উইলসন ও পল মিলগ্রম অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন। তাদের মতে, নিলাম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো নিলামের খরচ সর্বনিম্ন রাখা, প্রকৃত দরপত্রদাতা যাতে নিলামে অংশগ্রহণ করেন তা নিশ্চিত করা, নিলামে স্বচ্ছতা আনা ও নিলামে যাকে নির্বাচন করা হবে তিনি যেন নির্ধারিত মূল্য দিতে সক্ষম হন, তার ওপর নজর রাখা। একজন দরপত্রদাতা চেষ্টা করবেন এমন দাম অফার করতে, যা তাকে নিলামে জিততে সাহায্য করবে। অন্যদিকে জেতার আশায় অনেক বেশি দাম অফার করলে পরে লোকসান গুনতে হতে পারে। এ অবস্থায় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন দরপত্রদাতারা সাধারণ মূল্য সম্পর্কে তাদের নিজস্ব সেরা অনুমানের নিচে প্রস্তাবিত মূল্য (বিড) রাখেন, কেননা বেশি দাম বিড করে নিলামে জিতলেও বাস্তবে ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ প্রবণতাকে বলে ‘উইনার্স কার্স’ বা ‘বিজয়ের অভিশাপ’।

মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিতে এরই মধ্যে কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) বিধিমালা করেছে বিটিআরসি। বিধিমালা অনুযায়ী, সেলফোন অপারেটরদের কল ড্রপের হার ২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এছাড়া বিধিমালায় সিটি করপোরেশন এলাকা ও দেশের অন্য এলাকাগুলোর জন্য আলাদাভাবে সিগন্যালের উপস্থিতি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। ডাটাভিত্তিক সেবার ক্ষেত্রে ফোরজির ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ৭ এমবিপিএস, থ্রিজির ২ এমবিপিএস ও টুজির ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১৬০ কিলোবিটস পার সেকেন্ড (কেবিপিএস) নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ৫ এমবিপিএসকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা হিসেবে এতে উল্লেখ করা হয়েছে। মানদণ্ড অনুসরণে ব্যর্থ হলে প্রথমবার ৫০ হাজার ও পরবর্তী সময়ে ১ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে বিধিমালায়। পাশাপাশি লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি।

সেবার মান পরিমাপে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে এ সময়ে। বিধিমালায় নির্ধারিত মানে সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে অপারেটরদের দাবি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণেও তা দেখা গেছে। যদিও এ নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে নানা অভিযোগ জমা পড়ছে সেবাগ্রহীতাদের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত তরঙ্গ না থাকায় বিদ্যমান তরঙ্গ দিয়েই গ্রাহকদের সেবা দিতে গিয়ে এ জটিলতা তৈরি হচ্ছে। নেটওয়ার্কের ধারণক্ষমতাও অপ্রতুল তরঙ্গের কারণে সীমিত হয়ে পড়েছে।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, উচ্চমূল্যের স্পেকট্রাম টেলিকম অপারেটরদের সেবার সার্বিক মান ও মূল্যকে অনেকাংশে প্রভাবিত করে। স্পেকট্রাম কেনার জন্য আমাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করতে হলে গ্রাহক পর্যায়ে টেলিকম সেবার মূল্য স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, সেটিও স্পেকট্রামে বিপুল বিনিয়োগের কারণে ব্যয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি যে একটি অপারেটরকে হ্রাসকৃত মূল্যে স্পেকট্রাম নবায়নের সুযোগ দেয়া হতে পারে।

এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, তবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হলে যেসব অপারেটর আগের নিলামে উচ্চমূল্যে স্পেকট্রাম কিনেছিল তাদের পরিশোধিত মূল্যের একটি অংশ ফেরত দেয়া বা কিছু পরিমাণ স্পেকট্রাম বিনা মূল্যে বরাদ্দ দেয়া যৌক্তিক হবে বলে আমরা মনে করি। কারণ, এর ফলে সব অপারেটর সমানভাবে বিবেচিত হবে ও টেলিকম খাতে প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে। তবে ফাইভজির জন্য নতুনভাবে বরাদ্দকৃত স্পেকট্রাম সব অপারেটরকেই হ্রাসকৃত মূল্যে দেয়া উচিত। আশা করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়গুলো বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

এদিকে গ্রামীণফোন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন মেটাতে আধুনিকায়ন ও উদ্ভাবনী নেটওয়ার্ক সলুশন, পণ্য ও সেবার মাধ্যমে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একটি স্বচ্ছ প্রশাসনিক বা অকশনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে অব্যবহূত তরঙ্গ বরাদ্দের বিষয়টি গ্রামীণফোন সমর্থন করে, যেখানে এ-সংক্রান্ত শর্তাবলি সব অপারেটরের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। এমন একটি কার্যকর প্রক্রিয়া দেশব্যাপী ফোরজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ও শক্তিশালী করে গ্রাহকদের জন্য সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

বিটিআরসি সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, আগস্টে দেশে সেলফোন সংযোগসংখ্যা ১৬ কোটি ৬০ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের সংযোগ ৭ কোটি ৭০ লাখ, রবির ৪ কোটি ৯৮ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৪৬ লাখ ও রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র সেলফোন অপারেটর টেলিটকের সংযোগ ৪৬ লাখ ৫৫ হাজার। এ সময়ে ইন্টারনেট সেবার সংযোগসংখ্যা ১০ কোটি ৮২ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে সেলফোন অপারেটরদের ইন্টারনেট সেবার আওতায় থাকা সংযোগই ৯ কোটি ৯৬ লাখ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ৯০০, ১৮০০ ও ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ রয়েছে সেবাদানকারী চার সেলফোন অপারেটরের। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের বরাদ্দ রয়েছে ৩৭ মেগাহার্টজ তরঙ্গ, রবি আজিয়াটার ৩৬ দশমিক ৪, বাংলালিংকের ৩০ দশমিক ৬ ও রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের বরাদ্দ নেয়া তরঙ্গের পরিমাণ ২৫ দশমিক ২ মেগাহার্টজ। রবি আজিয়াটার কাছে থাকা এয়ারটেলের তরঙ্গের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছর। হ্রাসকৃত মূল্যে এ তরঙ্গের মেয়াদ নবায়নের সুযোগ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

সূত্র: বণিক বার্তা

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close