আলোচিতগাজীপুর

উপজেলা পর্যায়ে বেশিরভাগই ‘‌সাংঘাতিক’: বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন

বার্তাবাহক ডেস্ক : উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে কিছু যোগ্যতাসম্পন্ন সাংবাদিক পাওয়া গেলেও উপজেলা পর্যায়ে বেশিরভাগই ‘সাংঘাতিক’ পাওয়া যায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমের কার্ড ব্যবহার করে তারা ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তোলে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি সাংবাদিকতাকে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সম্মানজনক পেশা উল্লেখ করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিকতাকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান গণমাধ্যমের মালিকদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, আপনারা যাকে-তাকে কার্ড ধরিয়ে দিচ্ছেন, কার্ড দিতে খরচ আছে বলে টাকাও নিচ্ছেন। অথচ একবারও চিন্তা করছেন না, কাকে প্রতিনিধি হিসেবে কার্ড দিলেন। কোনও বেতন-ভাতা না পেয়ে তারা যা করার তা-ই করছে। এতে সাংবাদিকদের মান-সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে সাংবাদিকতাকে মনেপ্রাণে পেশা হিসেবে মানছেন, তারা দলমত নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে অষ্টম ও নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে মালিকদের বাধ্য করার জন্য আন্দোলন করুন। আপনাদের সঙ্গে সরকারের কোনও দ্বন্দ্ব নেই উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. শাহ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাঈদ মোমেন মজুমদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেনজীর আহমেদ, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি জীতেন বড়ুয়া, দৈনিক অরণ্য বার্তার সম্পাদক চৌধুরী আতাউর রহমান রানা। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় খাগড়াছড়ির ৪০ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

 

 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close