আলোচিত

১০ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫ হাজার ৫২৬ জন: সেতুমন্ত্রী

বার্তাবাহক ডেস্ক : সড়ক দুর্ঘটনায় গত ১০ বছরে ২৫ হাজার ৫২৬ জন মানুষ মারা গেছেন। বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান।

সেতুমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ হাজার ৫২৬ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ১৯ হাজার ৭৬৩ জন।

মন্ত্রীর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে ২ হাজার ৪৭১ জন মারা গেছেন। এ হিসাবে প্রতিদিন সড়কে প্রাণ গেছে ৭ জনের।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু এক সম্পূরক প্রশ্নে ‘এবারের ঈদের ১২ দিনে ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি এ দুর্ঘটনা এড়াতে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা জানতে চান।

জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্ঘটনার বিষয়টি আমাদের দুর্ভাবনার বিষয়। কিন্তু দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে দেয়। বিভিন্ন ধরনের হিসাব আছে। এর সংখ্যা ৪৬ থেকে ৬৬টি। দুর্ঘটনা এবার কম হয়েছে। কিন্তু মৃত্যুর হার বেড়েছে। কারণ, ছোট ছোট যানগুলো যখন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে মহাসড়কে আসে বড় গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানি বাড়ে।’

তিনি বলেন, “সড়কের জন্য এখন দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে, তা কিন্তু নয়। রাস্তা এখন অনেক ভালো। ইতিহাসের সবচেয়ে ‘রুটস সেফটি’। সমস্যা মানসিকতার। মানসিক পুনর্গঠন দরকার। সবাই সচেতন হলে দুর্ঘটনা কমে আসবে।”

আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা আছে, কিছু ক্ষেত্রে অবহেলাও আছে। তবে যথাযথভাবে প্রয়োগ করার জন্য প্রয়াস অব্যাহত আছে।’

পাটকলগুলোতে ৬২১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার অবিক্রিত পণ্য
আওয়ামী লীগের হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী জানান, সরকারি পাটকলগুলোতে অবিক্রিত পাটজাত পণ্যের পরিমাণ ৭৭ হাজার ৭১৩ মেট্রিক টন। এগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য ৬২১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সুদান সরকারের চাহিদায় বিশেষ আকারের পাটের বস্তা তৈরি করা হলেও সুদান সরকার সেগুলো এখন পর্যন্ত নেয়নি বলে জানান তিনি।

সংরক্ষিত আসনের লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোতে গ্রাচুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ড বাবদ বকেয়ার পরিমাণ ৬২৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় এ বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের শহিদ ইসলামের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, দেশে বার্ষিক কাপড়ের চাহিদা প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন মিটার। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন মিটার দেশে উৎপাদিত হয়, বাকি ৪০০-৭০০ মিটার বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close