মুক্তমত

বঙ্গবন্ধু চিরকালের, সব মানুষের অনন্ত অনুপ্রেরণা

প্রভাষ আমিন : ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় কাশ্মীর স্বাধীনই ছিল। কিন্তু পাকিস্তানীরা কাশ্মীর দখল করতে গেলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ কাশ্মীরের হিন্দু রাজা হরি সিং ভারতের সাহায্য চান। ভারত কাশ্মীরকে পাকিস্তানীদের হাত থেকে রক্ষা করে এবং বিশেষ মর্যাদা নিয়ে কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভূক্ত হয়। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংরক্ষিত ছিল। ৩৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কাশ্মীরের আলাদা সংবিধান ছিল, আলাদা জাতীয় সংগীত ছিল। পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ছাড়া আর সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ছিল কাশ্মীর সরকারের। ভারতের জরুরি অবস্থাও প্রযোজ্য ছিল না কাশ্মীরে। ৩৫এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কাশ্মীররের স্বাতন্ত্র্যের সুরক্ষা দেয়া ছিল। কাশ্মীরে বাইরের কেউ জমি কিনতে পারতেন না। ব্যবসা বা চাকরি করতে পারতেন না। এমনকি কাশ্মীরের মেয়েরা বাইরের কাউকে বিয়ে করলে তিনি পিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। তারমানে ভারতের অন্তুর্ভূক্ত হলেও ৭২ বছর ধরে কাশ্মীর স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেই চলছিল।

কাশ্মীরের মানুষের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে তিন ধরনের মনোভাব ছিল। এক দল চাইতো ভারতের সাথে থাকতে, আরেক দল চাইতো পাকিস্তানের সাথে যেতে। আরেক দলের চাওয়া ছিল স্বাধীনতা। ভারতকে জ্বালানোর এমন মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করবে কেন পাকিস্তান। বছরের পর বছর তারা কাশ্মীরে জঙ্গীবাদকে জিইয়ে রেখেছিল। পাল্টা ব্যবস্থা ছিল ভারতেরও। বরাবরই ভারত আর পাকিস্তানের সামরিক ব্যয়ের একটা বড় অংশ দখল করে রাখে এই কাশ্মীর। তাই সাংবিধানিকভাবে স্বাতন্ত্র্য থাকলেও দিনের পর দিন ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিষ্পেষণের শিকার হয়েছে কাশ্মিরীরা। কাশ্মীরের ৬০ ভাগ আছে ভারতে, আজাদ কাশ্মীর বা অধিকৃত কাশ্মীর নামে ৩০ ভাগ আছে পাকিস্তানের দখলে। আর পাহাড় ঘেরা ১০ ভাগ আছে চীনের দখলে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কোনোপক্ষই একচুলও ছাড়া দেবে না কাউকে। তারচেয়ে বড় কথা হলো, কাশ্মীর হলো সবার প্রেস্টিজ ইস্যু। গত ৫ আগস্ট ভারতের বিজেপি সরকার যখন কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে জম্মু-কাশ্মীরকে দুই ভাগ করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করলো, তখন অনেকের মধ্যে আফসোস দেখলাম, কাশ্মীরের একজন বঙ্গবন্ধু নাই। থাকলে অনেক আগেই কাশ্মীর স্বাধীন হয়ে যেতে পারতো। ৪৭ সালে দেশভাগের সময় বর্তমান বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান হিসেবে পাকিস্তানে অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল। ২৩ বছরের সংগ্রাম আর নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আর যে কাশ্মীরের ৪৭ সালেই স্বাধীন হওয়ার কথা, সেই কাশ্মীর এখন তিন পক্ষের টানাটানিতে ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ধুঁকছে।

কাশ্মীরে একজন বঙ্গবন্ধু থাকলে কী হতো বা আদৌ কাশ্মীরের একজন বঙ্গবন্ধু থাকা সম্ভব ছিল কিনা জানি না। কারণ বঙ্গবন্ধুর মত নেতা আসলে ক্ষণজন্মা। বাংলাদেশ ভাগ্যবান, বঙ্গবন্ধুর মত একজন নেতা পেয়েছে। কাশ্মীর কেন, বিশ্বের যে কোনো দেশের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে পাওয়া কঠিন। কাশ্মীরের সংকটে যখন সবাই বঙ্গবন্ধুর মত একজন নেতার অভাবের কথা বলেন, তখন একজন বাংলাদেশি হিসেবে গর্বে বুক ভরে যায়। বঙ্গবন্ধু আসলে চিরকালীন, বৈশ্বিক। তিনি শুধু আওয়ামী লীগের নন, শুধু বাংলাদেশের নন; তিনি সারা বিশ্বের। যেখানেই নিপীড়ন নির্যাতন, সেখানেই অনুপ্রেরণার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভারতের আধিপত্যের প্রসঙ্গে কাশ্মীরের আগে আগে সিকিম প্রসঙ্গ। বঙ্গবন্ধু না থাকলে বাংলাদেশের পরিণতিও তেমন হতে পারত। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের সর্বাত্মক সহায়তা করেছিল। ২ কোটি শরণার্থী ভারতের মাটিতে ছিল নয় মাস।

প্রবাসী সরকার পরিচালিত হয়েছে কলকাতা থেকে। মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন ভারতের মাটিতে থেকে, তাদের প্রশিক্ষণে। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে ভারত সরাসরি যুদ্ধে নামে। ভারত নিশ্চয়ই এতটা উদার নয় যে কোনো স্বার্থ ছাড়াই বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সাহায্য করবে। তাদের প্রথম স্বার্থ ছিল, তাদের চির বৈরী পাকিস্তানকে দুই ভাগ করে দেয়া। আর স্বাধীন বাংলাদেশে আস্তানা গেঁড়ে বসার গোপন আকাঙ্ক্ষাও হয়ত ছিল। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি বঙ্গবন্ধুর কারণে। ৭২এর ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে যুক্তরাজ্য ও ভারত হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। দেশে ফেরার পথে ভারতে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই বঙ্গবন্ধু জানতে চান, ভারতের সেনারা কবে নাগাদ বাংলাদেশ ছাড়বে। কিছুটা চমকে গেলেও ইন্দিরা গান্ধী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনেই ভারতের সেনা প্রত্যাহারের অঙ্গীকার করেছিলেন এবং তিনি কথা রেখেছিলেন। ৭২এর ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনেই ভারতের শেষ সৈন্যটি বাংলাদেশের মাটি ত্যাগ করেছিল। যারা ভেবেছিলেন পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ ভারতের খপ্পড়ে পড়বে; তাদের ভুল প্রমাণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর দিনটি আমাদের বিজয় দিবস। কিন্তু ৭২এর ১৭ মার্চ দিনটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় এসেছে, আর ১৭ মার্চ তা সংহত হয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে এভাবে সৈন্য প্রত্যাহারের উদাহরণ গোটা বিশ্বেই বিরল। সত্যিই বঙ্গবন্ধু আমাদের ইতিহাসের মহানায়ক। শুধু বাংলাদেশ নয়, বঙ্গবন্ধু সব কালের, সব মানুষের, সব দেশের নিপীড়িত মানুষের নেতা, অনন্ত অনুপ্রেরণা।

আমরা সৌভাগ্যবান আমরা বঙ্গবন্ধুর মত একজন নেতা পেয়েছিলাম। কিন্তু সেই আমরাই আবার নিষ্ঠুরতায়ও সবার চেয়ে এগিয়ে। পাকিস্তান বারবার চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সাহস করেনি। আর স্বাধীন বাংলাদেশের বিপথগামী সেনারা কিনা তার বুকে গুলি চালিয়ে দিল। আসলে তারা বিদীর্ণ করলো বাংলাদেশেরই হৃদয়। ৪৪ বছর আগের ঘটনা। কিন্তু নিষ্ঠুরতা, নির্মমতাটুকু এখনও যেন টাটকা। অনেকবার আমি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সেই বাড়িটিতে গেছি। বাড়িটির কোণে কোণে নিষ্ঠুরতার চিহ্ন, শোকের আবহ। যতবার গেছি, শোকের পরিমাণ একটুও কমেনি।

এখন বাংলাদেশে লাখ লাখ বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক। কিন্তু ৭৫’র ১৫ আগস্টের পর অবস্থাটা ভিন্ন ছিল। ২১ বছর বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হয়, তখন দেশজুড়ে দারুণ এক আবেগের ঢেউ খেলে গিয়েছিল। সময়ের কারণে সেই আবেগ অনেকটাই থিতিয়ে এসেছে। আওয়ামী লীগের অতি ব্যবহার আর দলীয়করণই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সেই উত্তাল আবেগ থিতিয়ে আসার জন্য কিছুটা দায়ী। তবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা কমেনি। বঙ্গবন্ধুর দুটি বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ প্রকাশের পরও আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের আবেগ কতটা শুদ্ধ। দুটি বইই বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রিত। তবে কতটা পঠিত সে নিয়ে সন্দেহ আছে। পড়লেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর বই দুটি কতটা আত্মস্থ করতে পেরেছে বা করতে চাইছে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অন্তত এখনকার অনেক নেতাকর্মীর কার্যকলাপ দেখলে মনে হয় তারা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী কিনেছেন কিন্তু পড়েননি বা পড়েছেন কিন্তু আত্মস্থ করতে পারেননি। সুযোগ থাকলে আমি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক কর্মীকে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পাঠ বাধ্যতামূলক করতাম। অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে একটি মানুষ কীভাবে একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারে, এ বইটি পাঠ করলে সবাই তা জানতে পারবে।

আচরণ দলীয় কর্মীর মতো হলেও অনেক সাংবাদিক নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করেন। আমি কখনোই নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করি না। নিরপেক্ষতার ব্যাপারে আমার অবস্থান পরিষ্কার। আমি দলনিরপেক্ষ, তবে আদর্শ নিরপেক্ষ নই। আমি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের প্রশ্নে আমি নিরপেক্ষ নই। আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ চাই। আর এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন যিনি দেখিয়েছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রশ্নেও আমার কট্টর পক্ষপাত। আমি নিরপেক্ষতার ভান না ধরে সব সময় বঙ্গবন্ধুর কথা বলি। আমি চাই বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বলে কিছু থাকবে না, থাকলেও স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকবে না। সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই হবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। আমি চাই, জাতির পিতা প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দলের অভিন্ন অবস্থান থাকবে।

আমি জানি, একদিন না একদিন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী সর্বজনীনভাবে পালিত হবেই। তবে এখন সর্বজনীনভাবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের সবচেয়ে বড় বাধা আওয়ামী লীগই। দলটি বঙ্গবন্ধুকে এমনভাবে কুক্ষিগত করে রেখেছে যে, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে ফেলেন। আওয়ামী লীগার হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকে বঙ্গবন্ধুর ন্যায্য প্রশংসাটাও করেন না। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের রণ স্লোগান। এ দুটি শব্দবন্ধ একসঙ্গে, এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হতো। কিন্তু আজ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অনেকেও ‘জয়বাংলা’ বলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের সিল লেগে যাওয়ার ভয়ে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ উচ্চারণ করেন না। এ আসলে আমাদের হীনমন্যতা। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের একার সম্পদ নয়, তিনি জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আদিখ্যেতা বেশি হলো, চামড়া বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা নব্য আওয়ামী লীগার, হাইব্রিড আওয়ামী লীগার আর সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে আসা রাজনীতিবিদদের মধ্যে। কিন্তু আমি নিশ্চিত তারা যত জোরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজিয়ে মানুষকে বিরক্ত করেন, হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য ততটা মমতা পোষণ করেন না। পোস্টারজুড়ে নিজের ছবি দিয়ে কোনায় বঙ্গবন্ধুকে স্ট্যাম্প সাইজ করা আওয়ামী লীগাররা বঙ্গবন্ধুকে ব্যবহার করেন নিজেদের প্রচারের জন্য। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে এই হাইব্রিড মৌসুমি বঙ্গবন্ধু প্রেমিকদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বঙ্গবন্ধু একজন অতি সাধারণ মানুষ থেকে হয়ে উঠেছিলেন অসাধারণ একজনে। কিন্তু জাতির পিতা হওয়ার পরও ছিলেন অতি সাধারণই। তিনি গণভবনে থাকেননি, বঙ্গভবনে থাকেননি, থেকেছেন ধানমন্ডির অতি সাধারণ বাড়িতে। শেষ পর্যন্ত সে বাড়ি ছিল সবার জন্য খোলা। এখনও সেই বাড়ি সবার জন্য খোলা। তবে এখন সেটা বঙ্গবন্ধু জাদুঘর। তবে সেখানে গেলে যে কেউ চমকে যাবেন দেশের রাষ্ট্রপতি কি সাধারণ জীবন-যাপন করতেন। প্লিজ সাধারণের বঙ্গবন্ধুকে সাধারণেরই থাকতে দিন। তাকে বিচ্ছিন্ন করবেন না। ঘাতকরা অনেক চেষ্টা করেও বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস মুছতে পারেনি। পারবে যে না, সেটা অনেক আগেই জানতেন অন্নদাশঙ্কর রায়-

যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান, ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মজিবুর রহমান…

 

প্রভাষ আমিন, হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

আরও দেখুন

এরকম আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এটাও পড়ুন

Close
Close